মুগ্ধ
পঞ্চক মালা
(১)
ঠোঁটের বোঁটায় দোলে ফুটে রাঙ্গা হাসির ফুল;আমি এসে পুষ্প চয়নে,—ভুলে খালি ফুলের পানে চাই।ঝলক্ ভরে তরল্ আলো চাপিয়ে পাতার কুলউছ্লে পড়ে উজল্ নয়নে;সেই আলোকে নেয়ে ধুয়ে যাই।ঝরে দেদার সুধার ঝরা গীতি-ধ্বনিতে;ঝর্ণা কুলের বাতাস লাগে গায়,—ছিটে ফোঁটা মধু-শুধু-পাই।ফুলে’ ফুলে’ ওঠে জোয়ার, রূপের নদীতে;দুলে দুলে তরী ভেসে যায়;কূলে কূলে আমি ছুটি ধাই।
জালে পড়া পাখী আছি পাখা ছড়িয়ে,—কাঁটা-গাঁথা আটা-মাখা পাশ;দাঁড়িয়ে দূরে দেখছি শিকারী?যেতে হুকুম দিচ্চ, বাঁধন্ পায়ে জড়িয়ে?এ যে বেজায় নিঠুর পরিহাস!উড়্তে নারি, কচ্চি স্বীকার-ই।টোপ্ গিলেছি লোভে পড়ে, উগ্রে ফেলা দায়।দিঠির জোড়া বঁড়্শি বিধেছে।মজা তোমার মাছের বেপারি।হেচ্কা টানে মাছ-খেলালে কণ্ঠা ছিঁড়ে যায়,—বোঝেনা, যে খেলায় মেতেছে।এই দুনিয়ার এম্নি বেভার-ই!
(৩)প্রাণের দখল্ চাইনে, কেবল মুষ্টি ভিখারী,—তবু কেন দোরে ফেলে যাও?প্রেম-নিধি থাকুক্ ভাঁড়ারে।চাইনে প্রোমের জমিদারী; গরিব বেচারি—খুসী হব, যদি মোরে দাওদুটি দানা আঁচল্ ঝাড়াবে।
তৃপ্তি আমার, মুগ্ধ প্রাণে কাটিয়ে দেওয়া দিন;মন্ মজাতে নেইক মনের সাধজীবন-ভরা থাকুক ধাঁধারে।বসি রূপের সিংহাসনে, বাজিয়ে প্রেমের বীণ্সুরের নেশায় করে দিয়ে মাৎ,বিশ্ব রাখা মোহে বাঁধারে।
Comments
Loading comments…