শকুন্তলা

মৃদু এ-মৃগদেহেমেরো না শর।আগুন দেরে কে হেফুলের ’পর।কোথা হে মহারাজ,মৃগের প্রাণ,কোথায় যেন বাজতোমার বাণ।

অধর কিসলর-রাঙিমা-আঁকা,যুগল বাহু যেন কোমল শাখা,হৃদয়লোভনীয় কুসুম হেনতনুতে যৌবন ফুটেছে যেন।

তোমাদের জল না করি দানযে আগে জল না করিত পান,সাধ ছিল তার সাজিতে— তবুস্নেহে পাতাটি না ছিঁড়িত কভু,তোমাদের ফুল ফুটিত যবেযে জন মাতিত মহোৎসবে,পতিগৃহে সেই বালিকা যায়,তোমরা সকলে দেহ বিদায়।”

মৃগের গলি পড়ে মুখের তৃণ,ময়ূর নাচে না যে আর,খসিয়া পড়ে পাতা লতিকা হতেযেন সে আঁখিজলধার।"

ইঙ্গুদির তৈল দিতে স্নেহসহকারেকুশক্ষত হলে মুখ যার,শ্যামাধান্যমুষ্টি দিয়ে পালিয়াছ যারেএই মৃগ পুত্র সে তোমার।”

নবমধুলোভী ওগো মধুকর,চুতমঞ্জরী চুমিকমলনিবাসে যে প্রীতি পেয়েছকেমনে ভুলিলে তুমি।

ন খলু ন খলু বাণঃ সন্নিপাত্যোঽয়মস্মিন্মৃদুনি মৃগশরীরে পুষ্পরাশিবিবাগ্নিঃ।

মূর্তো বিঘ্নস্তপস ইব নো ভিন্নসারঙ্গযুগোধর্মারণ্যং প্রবিশতি গজঃ স্যন্দনালোকভীতঃ।

Comments

Loading comments…