বাউলের গান

সমালোচনা

“আমি কে তাই আমি জানলেম না,আমি আমি করি কিন্তু, আমি আমার ঠিক হইল না।কড়ায় কড়ায় কড়ি গণিচার কড়ায় এক গণ্ডা গণি,কোথা হইতে এলাম আমি তারে কই গণি!”

“আয় রে আয়, জগাই মাধাই আয়!হরিসঙ্কীর্ত্তনে নাচিবি যদি আয়।(ওরে) মার খেয়েচি, নাহয় আরো খাব;ওরে তবু হরির নামটি দিব আয়!ওরে মেরেছে কলসীর কানা,তাই বলে কি প্রেম দিব না– আয়।”

“সে প্রেম করতে গেলে মরতে হয়।আত্মসুখীর মিছে সে প্রেমের আশয়।”

যার আমি মরেছে, তার সাধন হয়েছে।কোটি জন্মের পুণ্যের ফল তার উদয় হয়েছে।)”

“যে প্রাণ করে পণ পরে প্রেমরতনতার থাকে না যমের ভয়।”

“লোভী লোভে গণিবে প্রমাদ,একের জন্য কি হয় আরের মরিতে সাধ।”

“যার যে ধর্ম্ম সেই পাবে সেই কর্ম্ম।প্রেমের মর্ম্ম কি অপ্রেমিকে পায়?”

সে যে অনন্ত ব্রক্ষ্মাণ্ডের খবর, আন্‌ছে একতারেগো সখি, প্রেম-তারে।

“ওরে মন পাখী, চাতুরী করবে বলো কত আর!বিধাতার প্রেমের জালে পড়বে না কি একবার!সাবধানে ঘুরে ফিরে থাক বাহিরে বাহিরে,জাল কেটে পালাও উড়ে ফাঁকি দিয়ে বার বার!তোমায় একদিন ফাঁদে পড়তে হবে, সব চালাকি ঘুচে যাবে–অন্ন জল বিনে যখন করবে দুঃখে হাহাকার!”

ঐ বুঝি এসেছি বৃন্দাবন।আমায় বলে দে রে নিতাইধন!

ওরে, বৃন্দাবনে পশুপাখির রব শুনি না কি কারণ!ওরে, বংশীবট অক্ষয়বট কোথা রে তমালবন!ওরে, বৃন্দাবনের তরুলতা শুকায়েছে কি কারণ!ওরে, শ্যামকুণ্ড রাধাকুণ্ড কোথা গিরি গোবর্ধন!

Comments

Loading comments…